একটা জিনিস আমি
অনেকদিন ধরেই ভাবি, বাংলায় সাইন্স ফিকশন
লেখা এবং পড়া, দুটোই এত কম কেন? এদিকে তো সাইন্স পড়ার জন্যে লোকে দরে স্কুল পাল্টে
ফেলছে (নিজের স্কুলে চান্স না পেলে, বা আরও ভালো স্কুলে চান্স পাবার জন্যে)। তাহলে বাংলায়
সাই-ফাই লিখছে নাই বা কেন, আর যে কটা তবু আছে
সেগুলোও বা কেন বিশেষ সেলিব্রেটেড নয় ভাবতে অবাক লাগে। আর তখনই মনে হয়, সত্যি সাইন্স ভালবেসে কজনই বা সাইন্স পড়ে? কজনই বা সাইন্স পড়ে সত্যি নিজের জীবনে তাকে দেখতে পায়
বা ব্যবহার করে? বরং এড়িয়ে চলে। অঙ্ক
কত বাজে জিনিস বলতে পেলে আর কিছুই চায় না। বোধহয় অঙ্ক ভালবাসি না বলার লজ্জার চেয়ে
অঙ্ক আসলে কত ভালোবাসার অযোগ্য, এটা বললে নিজেকে
আরেকটু বেশি ভালবাসা যায়। ফলে সেই জাত যে সাইন্স ফিকশন কম পড়বে সেটাই তো
স্বাভাবিক।
Showing posts with label social conditioning. Show all posts
Showing posts with label social conditioning. Show all posts
Mission: বাংলা
ক'দিন ধরে এতরকম ভ়ার্সান শুনে চলেছি, ভাবলাম নিজের রিসার্চ নিজেই করা উচিত। দেখলাম ব্যাপারটা এইরকম:
এই বক্তব্যে নানা লোকের নানা ভয়। কারুর ভয় "বাধ্যতামূলক" নিয়ে। কারুর ভয় "বাংলা হতেই হবে"। কেউ আবার ওই কারণেই সাবাশি দিচ্ছে। কেউ বলছে বাধ্যতা কি আর সাধে? ইঁটের উত্তর তো পাটকেলই হতে হয়। একটা বিষয়ে সবাই একমত। 'বাঙালি'কে বাংলা গিলিয়ে না খাওয়ালে কোনও আশা নেই (নো পান ইন্টেন্ডেড)।
প্রথম শ্রেণী থেকে দশম শ্রেণী পর্যন্ত বাধ্যতামূলক তিনটি ভাষার মধ্যে একটি বাংলা হতেই হবে।
এই বক্তব্যে নানা লোকের নানা ভয়। কারুর ভয় "বাধ্যতামূলক" নিয়ে। কারুর ভয় "বাংলা হতেই হবে"। কেউ আবার ওই কারণেই সাবাশি দিচ্ছে। কেউ বলছে বাধ্যতা কি আর সাধে? ইঁটের উত্তর তো পাটকেলই হতে হয়। একটা বিষয়ে সবাই একমত। 'বাঙালি'কে বাংলা গিলিয়ে না খাওয়ালে কোনও আশা নেই (নো পান ইন্টেন্ডেড)।
বন্ধুত্ব
লোকজনের সাধারণতঃ একটা প্রবণতা থাকে প্রমাণ দেওয়ার যে "এতগুলো লোক আমায়
নিয়ে খুশি (অর্থাৎ আমি বেশ ভালই সঙ্গে নিয়ে চলার মত একটা মানুষ)"। নিজেও
অন্যদের একইভাবে নম্বর দেয় ও বিচার করে। সেই ছোটবেলা থেকে এর ট্রেনিং শুরু
হয়। যবে থেকে স্কুল-জাতীয় কিছুতে ঢুকিয়ে দেয়, তবে থেকেই আশা করে
প্যাস্টেল-চিবানো, কানে-পেন্সিল-গোঁজা, নাক-থেকে-সিকনি-গড়ানো সতীর্থদের
মধ্যে থেকে নিজের clique খুঁজে নেবে ছোটরা। আর সে দায়িত্বটা ঠিকমত পালন
হচ্ছে কিনা পরীক্ষা করে "কিইইই, বাবুসোনা? ইস্কুলে কটা বন্ধু হল?" বিশেষ
করে বাচ্চা-in-question যদি introvert, লাজুক হয়, তবে তো এই পরীক্ষা প্রতি
হপ্তার exercise! গেঁড়েটা হয়তো ভাবতেই পারেনা যে তার একাধিক বন্ধু সংগ্রহ করার
কথা। তারমধ্যেই পরবর্তী প্রশ্ন থাকে তাদের বন্ধুদের কি নাম। বলতে না পারলেই "এ
বাবা! বন্ধুকে নাম জিজ্ঞেস কর নি? বন্ধুর নাম জানতে হয় তো!" সবে হয়তো
ইরেজ়ার আদান-প্রদান দিয়ে একটা আধো-পরিচিতি তৈরি হচ্ছিল, খুদেটা সবে নিজের
স্বভাবের সাথে নতুন-প্রাণীটা ঠিক কিভাবে কম্প্লিমেন্ট করবে, বা আদৌ করবে
কিনা বুঝে ওঠার চেষ্টা করছিল, 'হিতৈষী' গুরুজনের গুঁতোয় বেহিসেবী লেবেল
মেরে দিতে শুরু করে দিতে হল তাকে। ব্যাপারটা অফিশিয়াল আর কারখানা-সম করে
তোলার জন্যে রইল অমোঘ 'ভাব' (বুড়ো-আঙুল সহযোগে)। পরে যদি সুবিধে না হয়, তার
জন্যে তো উপায় আছেই: আড়ি।
Subscribe to:
Posts (Atom)
যদি ভাল্লাগে...email-এ sign up করতে পারেন/পারো/পারিস, নতুন লেখা ছাড়া কিচ্ছু পাঠাবো না, promise...